• Connect Us

  • Share Us

 | 

Others

মেঘে ঢাকা রোদ্দুর -আইনে কু-কথা

 

সিঁধেল চোর ধরতে যেমন পাগলা কুকুর দরকার তেমনি সমাজের নীরবতা ভাঙতে কিম্বা  কালো মেঘের আড়াল তুলে দিতে এরকম রোদ্দুর রায় লাগে। তবে ক্ষমতা থাকলে বা প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে সেই পাগলা কুকুরকে ও গুলি করে মারা যায় তবে রোদ্দুরের মধ্যের  অশালীনতা কেউ ই চায় না সেটা ভালো মানুষের প্রাপ্য ও নয় তবে তিনি হয়তো জানেন যে অশালীন শব্দের কোনো তালিকা তো ভারতীয় আইনে নেই ,আছে শুধু বাক স্বাধীনতা আর উনি এই স্বাধীনতার চরম পন্থা ধরেছেন।
তবে এটা  ঠিক যে
উনি শুদ্ধ কিংবা সংস্কৃত ভাষায় প্রতিবাদ করলে কেউ ওনাকে চেনতো না ,ওনার কথা কেউ শুনতো ই না ,উনি তো বাঙালি হয়েও ইতিমধ্যে ইংরেজি তে কত রকম তত্ত্বের প্রবচন দিয়েছেন , সেই তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে ওনাকে কেউ চেনে  না ,চিনলো গালিবাজ হিসেবে কারণ মানুষ নিষিদ্ধ জিনিসে বেশি আকৃষ্ট হয় ,যেমন দুধের থেকে মদের দাম বেশি তাই পরিকল্পিত ভাবে উনি প্রতি টি বাক্যে যত্ন সহকারে স্ল্যাং মেনটেইন করেন তাই তো ওনাকে এতো লোকে ওনার নাম জানে । কিন্তু এতো ধৈর্য সহকারে  যেখানে অসৎ ,চোর ,গুন্ডা ,ভন্ড  কে এই জনগণের ই কিছু অংশ  বছরের পর বছর জননেতা বানিয়ে রাখতে পারে সেক্ষেত্রে একজন গালি-পন্থী প্রতিবাদী কে  টিকিয়ে রাখার জন্য এখনো সেই জনগণের কিছু অংশ এই রোদ্দুর কে বরদাস্ত করতে ই পারে  , যা তারা নিজেরা বলতে পারেনা তা যেন এই রোদ্দুর মুখে দেখতে পাচ্ছে  , তার মুখের ভাষা খারাপ বিশ্বাস করা মানুষ ও  আজ রোদ্দুরকে সমর্থন করে , তবে অনেক জ্বালায় পড়ে এই সমর্থন করা কারণ আজ যারা সমর্থন করছে তারা রোদ্দুর কে ব্যক্তিগতভাবে সব সমার্থক ই যে পছন্দ করে সেটা কিন্তু না , কিন্তু কিছু জনগণ আজকে রোদ্দুরের তিক্ত তেজ কে ব্যবহার করছে ,জনগণ তাদের  সরকারকে যে গালি তারা নিজেরা দিতে পারেনা ভয়ে  তাদের সেই গালিযখন সে ই দিইয়ে দিচ্ছে ,তাহলে  পারে মুখে ঝাল খাওয়া জনগণের এই উৎসাহ উদ্দীপনা কেন হতে পারেনা ? কিন্তু  সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে এই উদ্দীপনার একটা আলাদা ইঙ্গিত রেখে যাচ্ছে যেটা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা হট টপিক   । তবে  রোদ্দুর মন্দভাষী কিন্তু ভন্ড নয়।  এই রোদ্দুর রায় নিজের চরিত্র কে আড়াল করে ,ভণ্ডামি করে ভালো মানুষ সাজতে চায়নি  কিন্তু চাবুক মারতে গিয়ে চাবুকে অতিরিক্ত কু -কথার বিষ লাগিয়ে চাবুকটা চালিয়েছে, যদিও কু কথার একটা সংগা থাকলেও  কু-কথার কোনো  আইনি পরিচয় নেই।
 তারপর ও মানুষ হিসেবে কাউকে বিচার করা খুবই কঠিন - আজকাল যে নেতা মন্ত্রী  জেলে বেশি দিন থাকে তাকেই তো  তত বড়ো নেতা হিসেবে জনগণ ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখে ,সিআইডি বা সিবিআই সামনে যদি নাই যেতে হলো  ,বাঘের সামনে যদি নাই গেলো  তাহলে আবার  কিসের লড়াকু নেতা-মন্ত্রী ? আজকাল তো মানুষ চেনা সত্যি দায় তাই উনি রোদ্দুর রায় কেমন মানুষ তা বলতে পারিনা তবে  উনি কি বলতে চাইছেন সেটা বোঝার চেষ্টা করলে দেখা  যায়  উনি এই গালি খিস্তি বা  কলমের গুতো দেশের মানুষের জন্য ই করেছে , আমরা তো মুচকি হাসা ভদ্দরলোক পিঠ বাঁচানোর  ভয়ে , পরিবার ভালোবাসার টানে  রাষ্ট্র নেতার বিপক্ষে সমালোচনা করতেই  ভয় পাই , বুদ্ধিজীবী হয়ে ,কবি লেখক হয়ে পারিতোষিক হিসেবে সরকারি পুরস্কার পাবার জন্য আমরা সরকারের পরিতোষ দেখে কথা বলি কিন্তু যে জনগণ ই সরকারকে চেয়ারে বসায় আর সেই জনগণ যখন সরকার এর কাছে আবেদন নিবেদন করেও তাদের প্রাপ্তি জোটে না তখন সেই  কালো মেঘের ফাঁকে  এরকম রোদ্দুর উঁকি মেরে থাকে  আর তখন হঠাৎ রোদ্দুর গায়ে লাগলে গা চিট চিট করে আর সেই কথায় সরকার বা  মন্ত্রী যদি একটু লজ্জা বা ভয় পেয়ে সেই রোদ্দুর কে ARREST ও করে তাহলে বুঝবেন যে পিঁপড়ের আওয়াজ এবার হাতির কানে গেছে ।
 আমরা তো সবাই ভদ্দরলোক হয়ে মোমবাতি ছাড়া আর কিছুই জ্বালাতে পারলাম না  তবে উনি যদি সরকার তথা জননেতার কান জ্বালাতে পারে তবে সেটাই এখন ভদ্দরলোক জনগণের কাছে অনেক প্রাপ্তি ,জননেতা  নির্লজ্জ হলে জনতা ও এরকম নির্লজ্জ রোদ্দুর রায় হয়ে ওঠে । আমাদের মতো সাধু ভাষায় আর্টিকেল লিখে আল্টিমেটলি কি বা প্রতিবাদ করতে পারলাম?
তবে রোদ্দুর রায় কে আপনারা কিংবা প্রশাসন যদি মানসিক রোগী বলেন বা সেটা প্রমাণিত হয় তবে তাকে ARREST  করে লাভ হলোনা , শুধু  লোক দেখানো হচ্ছে ক্ষমতার । কাউকে পাগল বললে তাকে শাস্তি দেওয়া যায়না , ওই পাগল বলা ই তাকে শাস্তি দেওয়া হয়ে যায়। যদি মানসিক রোগী ই বলেন তবে তাকে শাস্তির আগে চিকিৎসা করানো দরকার। তাছাড়া দেশি বা বিদেশী ভাষার মধ্যে কোন গুলো কে ভারতীয় সংবিধান বা আইন কুভাষা হিসেবে বিবেচনা করে তার একটা তালিকা নেই ,থাকাটা এখন দরকারি মনে হচ্ছে  । যদি নিষিদ্ধ বা কু-ভাষা কোনো  সংবিধানে বা আইনে  নির্দিষ্ট না থাকে তবে নির্দিষ্ট ভাবে গ্রেফতার করা হলে সেটা হয় বিতর্কিত, কু-ভাষার আসামি কে স্থায়ী ভাবে বন্দি করা যায়না।  যেমন  বাল, মাল , এসব শব্দের দ্বারা ভালো মন্দ দুটোই বোঝানো যায় ,বক্তা র কাছে এটা  ভালো হতে পারে শ্রোতার কাছে সেটা  মন্দ হতে পারে , শ্রোতার খারাপ লাগা কে বক্তা তার নিজের ভালোলাগা বলে দাবি করতে পারে আর তার জন্যই  এগুলোর প্রয়োগ মোটেই নিষিদ্ধ নয় আইনে  ,যদি নিষিদ্ধ হয় তবে তা নিষিদ্ধ তালিকা ভুক্ত হওয়া দরকার।  তা নাহলে কুভাষার দোহাই দিয়ে তো যে কাউকেই গ্রেফতার করা সম্ভব। -লেখক ভক্তিভিক্ষু অভয় বালা , (অভয়কণ্ঠ ডট কম এর নিয়মিত লেখক)

সিঁধেল চোর ধরতে যেমন পাগলা কুকুর দরকার তেমনি সমাজের নীরবতা ভাঙতে কিম্বা  কালো মেঘের আড়াল তুলে দিতে এরকম রোদ্দুর রায় লাগে। তবে ক্ষমতা থাকলে বা প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে সেই পাগলা কুকুরকে ও গুলি করে মারা যায় তবে রোদ্দুরের মধ্যের  অশালীনতা কেউ ই চায় না সেটা ভালো মানুষের প্রাপ্য ও নয় তবে তিনি হয়তো জানেন যে অশালীন শব্দের কোনো তালিকা তো ভারতীয় আইনে নেই ,আছে শুধু বাক স্বাধীনতা আর উনি এই স্বাধীনতার চরম পন্থা ধরেছেন।

তবে এটা  ঠিক যেউনি শুদ্ধ কিংবা সংস্কৃত ভাষায় প্রতিবাদ করলে কেউ ওনাকে চেনতো না ,ওনার কথা কেউ শুনতো ই না ,উনি তো বাঙালি হয়েও ইতিমধ্যে ইংরেজি তে কত রকম তত্ত্বের প্রবচন দিয়েছেন , সেই তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে ওনাকে কেউ চেনে  না ,চিনলো গালিবাজ হিসেবে কারণ মানুষ নিষিদ্ধ জিনিসে বেশি আকৃষ্ট হয় ,যেমন দুধের থেকে মদের দাম বেশি তাই পরিকল্পিত ভাবে উনি প্রতি টি বাক্যে যত্ন সহকারে স্ল্যাং মেনটেইন করেন তাই তো ওনাকে এতো লোকে ওনার নাম জানে । কিন্তু এতো ধৈর্য সহকারে  যেখানে অসৎ ,চোর ,গুন্ডা ,ভন্ড  কে এই জনগণের ই কিছু অংশ  বছরের পর বছর জননেতা বানিয়ে রাখতে পারে সেক্ষেত্রে একজন গালি-পন্থী প্রতিবাদী কে  টিকিয়ে রাখার জন্য এখনো সেই জনগণের কিছু অংশ এই রোদ্দুর কে বরদাস্ত করতে ই পারে  ,

যা তারা নিজেরা বলতে পারেনা তা যেন এই রোদ্দুর মুখে দেখতে পাচ্ছে  ,তার মুখের ভাষা খারাপ বিশ্বাস করা মানুষ ও  আজ রোদ্দুরকে সমর্থন করে , তবে অনেক জ্বালায় পড়ে এই সমর্থন করা কারণ আজ যারা সমর্থন করছে তারা রোদ্দুর কে ব্যক্তিগতভাবে সব সমার্থক ই যে পছন্দ করে সেটা কিন্তু না , কিন্তু কিছু জনগণ আজকে রোদ্দুরের তিক্ত তেজ কে ব্যবহার করছে ,জনগণ তাদের  সরকারকে যে গালি তারা নিজেরা দিতে পারেনা ভয়ে  তাদের সেই গালিযখন সে ই দিইয়ে দিচ্ছে ,তাহলে পরের মুখে ঝাল খাওয়া জনগণের এই উৎসাহ উদ্দীপনা কেন হতে পারেনা ? কিন্তু  সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে এই উদ্দীপনার একটা আলাদা ইঙ্গিত রেখে যাচ্ছে যেটা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা হট টপিক।

তবে রোদ্দুর মন্দভাষী কিন্তু ভন্ড নয়।  এই রোদ্দুর রায় নিজের চরিত্র কে আড়াল করে ,ভণ্ডামি করে ভালো মানুষ সাজতে চায়নি  কিন্তু চাবুক মারতে গিয়ে চাবুকে অতিরিক্ত কু -কথার বিষ লাগিয়ে চাবুকটা চালিয়েছে, যদিও কু কথার একটা সংগা থাকলেও  কু-কথার কোনো  আইনি পরিচয় নেই। তারপর ও মানুষ হিসেবে কাউকে বিচার করা খুবই কঠিন - আজকাল যে নেতা মন্ত্রী  জেলে বেশি দিন থাকে তাকেই তো  তত বড়ো নেতা হিসেবে জনগণ ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখে ,সিআইডি বা সিবিআই সামনে যদি নাই যেতে হলো  ,বাঘের সামনে যদি নাই গেলো  তাহলে আবার  কিসের লড়াকু নেতা-মন্ত্রী ? আজকাল তো মানুষ চেনা সত্যি দায় তাই উনি রোদ্দুর রায় কেমন মানুষ তা বলতে পারিনা তবে  উনি কি বলতে চাইছেন সেটা বোঝার চেষ্টা করলে দেখা  যায়  উনি এই গালি খিস্তি বা  কলমের গুতো দেশের মানুষের জন্য ই করেছে , আমরা তো মুচকি হাসা ভদ্দরলোক পিঠ বাঁচানোর  ভয়ে , পরিবার ভালোবাসার টানে  রাষ্ট্র নেতার বিপক্ষে সমালোচনা করতেই  ভয় পাই , বুদ্ধিজীবী হয়ে ,কবি লেখক হয়ে পারিতোষিক হিসেবে সরকারি পুরস্কার পাবার জন্য আমরা সরকারের পরিতোষ দেখে কথা বলি কিন্তু যে জনগণ ই সরকারকে চেয়ারে বসায় আর সেই জনগণ যখন সরকার এর কাছে আবেদন নিবেদন করেও তাদের প্রাপ্তি জোটে না তখন সেই  কালো মেঘের ফাঁকে  এরকম রোদ্দুর উঁকি মেরে থাকে  আর তখন হঠাৎ রোদ্দুর গায়ে লাগলে গা চিট চিট করে আর সেই কথায় সরকার বা  মন্ত্রী যদি একটু লজ্জা বা ভয় পেয়ে সেই রোদ্দুর কে ARREST ও করে তাহলে বুঝবেন যে পিঁপড়ের আওয়াজ এবার হাতির কানে গেছে ।

আমরা তো সবাই ভদ্দরলোক হয়ে মোমবাতি ছাড়া আর কিছুই জ্বালাতে পারলাম না  তবে উনি যদি সরকার তথা জননেতার কান জ্বালাতে পারে তবে সেটাই এখন ভদ্দরলোক জনগণের কাছে অনেক প্রাপ্তি ,জননেতা  নির্লজ্জ হলে জনতা ও এরকম নির্লজ্জ রোদ্দুর রায় হয়ে ওঠে । আমাদের মতো সাধু ভাষায় আর্টিকেল লিখে আল্টিমেটলি কি বা প্রতিবাদ করতে পারলাম?
তবে রোদ্দুর রায় কে আপনারা কিংবা প্রশাসন যদি মানসিক রোগী বলেন বা সেটা প্রমাণিত হয় তবে তাকে ARREST  করে লাভ হলোনা , শুধু  লোক দেখানো হচ্ছে ক্ষমতার । কাউকে পাগল বললে তাকে শাস্তি দেওয়া যায়না , ওই পাগল বলা ই তাকে শাস্তি দেওয়া হয়ে যায়। যদি মানসিক রোগী ই বলেন তবে তাকে শাস্তির আগে চিকিৎসা করানো দরকার। তাছাড়া দেশি বা বিদেশী ভাষার মধ্যে কোন গুলো কে ভারতীয় সংবিধান বা আইন কুভাষা হিসেবে বিবেচনা করে তার একটা তালিকা নেই ,থাকাটা এখন দরকারি মনে হচ্ছে  । যদি নিষিদ্ধ বা কু-ভাষা কোনো  সংবিধানে বা আইনে  নির্দিষ্ট না থাকে তবে নির্দিষ্ট ভাবে গ্রেফতার করা হলে সেটা হয় বিতর্কিত, কু-ভাষার আসামি কে স্থায়ী ভাবে বন্দি করা যায়না।  যেমন  বাল, মাল , এসব শব্দের দ্বারা ভালো মন্দ দুটোই বোঝানো যায় ,বক্তা র কাছে এটা  ভালো হতে পারে শ্রোতার কাছে সেটা  মন্দ হতে পারে , শ্রোতার খারাপ লাগা কে বক্তা তার নিজের ভালোলাগা বলে দাবি করতে পারে আর তার জন্যই  এগুলোর প্রয়োগ মোটেই নিষিদ্ধ নয় আইনে  ,যদি নিষিদ্ধ হয় তবে তা নিষিদ্ধ তালিকা ভুক্ত হওয়া দরকার।  তা নাহলে কুভাষার দোহাই দিয়ে তো যে কাউকেই গ্রেফতার করা সম্ভব। -লেখক ভক্তিভিক্ষু অভয় বালা , (অভয়কণ্ঠ ডট কম এর নিয়মিত লেখক)

leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your Name (required)

Email (required)

This email is not valid

Mobile No (required)

Thanks for commentining us.

Some issue during.......